বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
এসডিজি ৩.৩ গোল অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হেপাটাইটিস বি স্ক্রিনিং ও টিকাদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনের প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব। তিনি হেপাটাইটিস নির্মূলে গণটিকাদান কর্মসূচির ভূমিকা ও হেপাটাইটিস বির চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ ভ্যাটমুক্ত করার বিষয়টি সরকারের কাছে আহ্বান করেন।
তিনি বলেন, ‘হেপাটাইটিস বি ও সি লিভারের ভাইরাসবাহিত একটি রোগ, যার কারণে লিভারে সিরোসিস ও ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বীকন ২০১১ সালে হেপাটাইটিস বি ও সির চিকিৎসায় বাংলাদেশে পথিকৃৎ হিসেবে সর্বপ্রথম পেগাইলাইটেড ইন্টারফেরনের জেনেরিক ভার্সন উৎপাদন ও বাজারজাত শুরু করে, যার ফলে বাংলাদেশে হেপাটাইটিস বির চিকিৎসার এক নবদিগন্তের সূচনা হয় এবং চিকিৎসা ব্যয় প্রায় তিন গুণ কমে আসে। ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহযোগিতায় গত ১৩ বছরে বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্যান্সার ও হেপাটাইটিস ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।’
অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি। তিনি বলেন, ‘২০১০ সালের আগে ক্যান্সার কেমোথেরাপির জন্য ইউরোপ, আমেরিকা ও ইন্ডিয়ায় ওষুধ খুঁজতে হতো এবং সেটি ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল, বিকন সর্বপ্রথম ৬৫টির বেশি কেমোথেরাপির ওষুধ বাজারে নিয়ে আসে এবং তার ফলে দাম এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে। অনুষ্ঠান শেষে তিনি হেপাটাইটিস বি স্ক্রিনিং ও টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্ক্রিনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন।—বিজ্ঞপ্তি